বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ জলপ্রপাত হিসেবে সমধিক পরিচিত মাধবকুণ্ড । পাথারিয়া পাহাড় (পূর্বনাম: আদম আইল পাহাড়) কঠিন পাথরে গঠিত; এই পাহাড়ের উপর দিয়ে গঙ্গামারা ছড়া বহমান। এই ছড়া যখন মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত হয়ে নিচে পড়েছে তখন হয়েছে মাধবছড়া।
প্রায় ১৬২ ফুট উঁচু থেকে নিচে পড়ে মাধবছড়া হয়ে প্রবহমান। সাধারণত একটি মূল ধারায় পানি সব সময়ই পড়তে থাকে, বর্ষাকাল এলে মূল ধারার পাশেই আরেকটা ছোট ধারা তৈরি হয় এবং ভরা বর্ষায় দুটো ধারাই মিলেমিশে একাকার হয়ে যায় পানির তীব্র তোড়ে।
এই মাধবছড়ার পানি পশ্চিম দিকে প্রবাহিত হতে হতে গিয়ে মিশেছে হাকালুকি হাওরে।[১]
কুণ্ডের ডানপাশে পাথরের গায়ে সৃষ্টি হয়েছে একটি গুহার, স্থানীয়রা মায়াকরে ডাকেন কাব।
পুরো মাধবকুণ্ড এলাকাটাই বিশাল পাহাড় মূলত পাতাড়িয়া পাহার থেকে নেমে আসা ছড়া যখন ১৬২ ফুট নিচে গড়িয়ে পড়ে তখনি সৃষ্টি হয়েছে জলপ্রপাতের।আর এটিই হচ্ছে দেশের প্রথম ওয়াটারফল।এই ওয়াটারফলে থাকার জন্য রয়েছে জেলাপরিষদ বাংলো। যাদের বনবাদাড় ভালো লাগে চাইলে থাকতে পারেন
জলপ্রপাত ঘিরে তৈরি করাহয়েছে ইকোপার্ক।পাহাড়ি বহুজাতিক রোপবৈচিত্র পাশাপাশি গহিন জংগলে লোকচোখের আড়ালে বসবাস করছেন উপজাতিরা।
মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত ছাড়াও এই ইকোপার্কে রয়েছে আরেকটি জলপ্রপাত, যা মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত থেকে । শিবমন্দির-এর বিপরীত দিকের ছড়া ধরে গেলে এই জলপ্রপাতের দেখা পাওয়া যায় নাম পরীকুণ্ড জলপ্রপাত তবে এই জলপ্রপাতটি কেবল বর্ষাকালেই প্রাণ ফিরে পায়।
ঢাকার ফকিরাপুল থেকে অথবা সায়দাবাদ থেকে এনা পরিবহণ এবং শ্যামলী পরিবহনের বাস সার্ভিস আছে সরাসরি বড়লেখায়। সময় লাগবে ৮ঘন্টা ভাড়া পড়বে ৫০০ টাকা।দিনে সকালে ৩টা এবং রাতে ৩ টা ঢাকা ভায়া বিয়ানীবাজার।বড়লেখা উপজেলা যাবার আগে কাটালতলি বাজারে নেমে সেখান থেকে অটোরিকশা করে যেতে পারবেন।থাকার জন্য রয়েছে বাংলো। ভাড়া পরবে ২ হাজার টাকা।