জনাব/জনাবা, আপনার খেদমতে আরয এই যে, আল্লাহ রাব্বুল আলামিন মাতা-পিতাকে সন্তান-সন্তুতি আমানতরূপে দিয়েছেন। সাথে সাথে তাদেরকে কুরআন-হাদীস তথা ধর্মীয় জ্ঞান শিক্ষাদানের মাধ্যমে আল্লাহর পথে পরিচালিত করে আমানত রক্ষা করার দায়িত্ব আপনাদের উপর অর্পণ করেছেন। আল্লাহ না করুন! আপনাদের ভুল পরিচালনার কারণে সন্তান পথহারা হলে তার জন্য কেয়ামতের দিন মহান আল্লাহর দরবারে আপনাদের জবাবদিহি করতে হবে। আল্লাহর দরবারে আমাদের সন্তানেরাই আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলবে। ইরশাদ হচ্ছে : ‘তারা (সন্তান ও অধীনস্থরা) বলবে, হে আমাদের পালনকর্তা! আমরা আমাদের নেতা ও বড়দের কথা মেনেছিলাম, অতঃপর তারা আমাদের পথভ্রষ্ট করেছিল। হে আমাদের পালনকর্তা! আজ তাদেরকে দ্বিগুণ শাস্তি দিন এবং তাদেরকে মহাঅভিসম্পাত করুন।’ (সুরা আহযাব : ৬৭-৬৮)
আমরা আপনাদের খেদমতে কুরআন-হাদীসভিত্তিক বাস্তবমুখী কিছু কথা পেশ করেছি, এখন আপনার মেয়ের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত আপনারই। আল্লাহর ওপর ভরসা করে আমরা এতটুকু বলতে পারি, আপনার মেয়ের মেধা বিকাশে এবং তাকে একজন প্রকৃত আদর্শ নারী হিসেবে গড়ে তুলতে আমাদের নিরলস প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে, ইনশাআল্লাহ।
#আমাদের লক্ষ ও উদ্দেশ্য**
মুহাক্কিকা ও মুত্তাকিয়া আলেমা তৈরির মাধ্যমে নারী সমাজে দ্বীনের চতুর্মুখী (তা’লীম, তাবলীগ, তাযকিয়া ও খেদমাতে খলক) তাকাজা পূরণ করা।
অশ্লীলতা ও বেহায়াপনার সয়লাবে ভরে যাওয়া আজকের রুগ্ন সমাজের পঙ্কিলতা থেকে তুলে এনে প্রতিটি মেয়েকে কুরআন, সুন্নাহ ও জাগতিক জ্ঞানের অলঙ্কারে ভূষিত করে এমন একজন যুগ সচেতন দ্বীনদার নারী হিসেবে তৈরি করা, যিনি আলোকিত প্রজন্ম গড়ে তুলতে সক্ষম হবেন, যার মাধ্যমে আলোকিত সভ্য সমাজ প্রতিষ্ঠিত হবে।
#যেভাবে পরিচালিত হচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি**
👉প্রতিষ্ঠানটি জামি’আ রাহমানিয়া আরাবিয়ার শীর্ষ মুরুব্বীয়ানে কেরামের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত।
👉শিক্ষা বাণিজ্যমুক্ত, একমাত্র দ্বীনি খেদমতের লক্ষ্যে সকলের সহযোগিতায় পরিচালিত।
👉যুগ সচেতন আলেমা তৈরির লক্ষ্যে মাদারাসা ও জেনারেল শিক্ষার সমন্বিত সিলেবাসে পাঠদান।
👉বাংলা, আরবী, ইংরেজি ও উর্দু ভাষায় পূর্ণ দক্ষতা অর্জনের লক্ষ্যে বিশেষ পাঠের ব্যবস্থা।
👉বাংলা, আরবী ও ইংরেজি সুন্দর হস্তলিপির অনুশীলন।
👉কিতাব বিভাগে ক্লাসের পড়াশোনার পাশাপাশি নিয়মিত কুরআন তেলাওয়াত ও হাফেজাদের হেফজ চর্চার ব্যবস্থা।
👉ছাত্রীদের আমল আখলাকের মানোন্নয়ন, ইলমের সাথে আমলের বাস্তব সমন্বয় সাধন, চরিত্র গঠন, পরিবার ও সমাজে একজন আদর্শ নারী হিসেবে নিজ দায়িত্ব-কর্তব্য পালনে জরুরি নির্দেশনা প্রদানসহ সচেতন ও আদর্শবান করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে নিয়মিত তা’লীমের ব্যবস্থা।
👉প্রতিভা বিকাশ ও মননশীলতা সৃষ্টির লক্ষ্যে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন আয়োজন ও পুরস্কার প্রদান।