কোটা আন্দো*লনের পুরো সময়টায় আমি ছিলাম ঢাকার রাস্তায়। একে তো সাংবাদিকতার পেশাগত কাজে ছিলাম। তবে সবচেয়ে বড় কারণ ছিল আন্দো*লনে সংহতি জানানো।
আবু সাইদের মৃত্যুটা মেনে নিতে পারিনি। কিভাবে মানবো? তাই ১৮ তারিখ রামপুরা ইস্ট-ওয়েস্ট থেকে শুরু করেছিলাম আমার সংহতি কার্যক্রম। পুলিশি বাঁধার মুখে অনেক সময় অনেক কিছুই করতে পারিনি। চেষ্টা করে গিয়েছিলাম।
১৮ তারিখ রাতে ইন্টারনেট বন্ধ করে দিয়ে এক কথায় নানাবিধ মুক্ত পেশাজীবীদের পেটে কষে লাথি দেওয়া হল। কাজ গেল, ইনকাম গেল, সুযোগ গেল। এর সাথে বন্ধ করে দেওয়া হল ছাত্রদের সাথে যা হচ্ছে- সেই সত্য জানার সুযোগ।
অন দ্যা স্পটে জিনিসগুলো দেখেছি। গু*লি, সাউ*ন্ডগ্রেনে*ড, টিয়ার*শেলের শব্দ- এগুলো এখনো আমাকে রাতে ঘুমের সময় জোর করে জাগিয়ে রাখে। কি করবো?
আমি এই ভিডিওটা করার দিন পর্যন্ত স্বাভাবিক হতে পারিনি। সময় লাগবে , হয়তো পারবো। কিন্তু মুগ্ধ তো আর ফিরবে না আমাদের জীবনে। আবু সাইদ তো আর ফিরবে না আমার ক্লাশ করতে।