মুফতি জসীমুদ্দীন রাহমানী (আল্লাহ তার মুক্তিকে ত্বরান্বিত করুন) বাংলাদেশের এক বিস্ময় আলিম। তিনি বর্তমান তাগূতের বিরুদ্ধে কোনো নমনীয়তা ছাড়াই তুলে ধরেছিলেন তাদের অত্যাচার আর অনৈসলামিক কাজের নমুনা। নাস্তিকদের বিরুদ্ধে অত্যন্ত দৃঢ়চেতা এই মানুষটি কারো কোন অপপ্রচার, নিন্দাবাদের পরোয়া করতেন না। তিনি অসাধারণ সাহসিকতার সাথে বাংলাদেশে মুসলিম সমাজে প্রচলিত বিদয়াতি আমল-আকিদা, সূফিবাদ ও পীরবাদের ভণ্ডামী, অনৈসলামিক রাজনীতি ও কুফরী গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার বিরোধিতা করতেন।
শাইখের বক্তৃতা এবং তার লেখা মূল্যবান বই বাংলাদেশের তাওহীদবাদী মানুষের মধ্যে এক নীরব বিপ্লবী জোয়ার শুরু করেছে। তিনি মূলত তাওহীদ ও জিহাদের দাওয়াত দিতেন। নিজেকে শুধুমাত্র মুসলিম হিসেবে পরিচয় দিতেন। দাওয়াতের মাধ্যমে গণজাগরণ আর ক্বিতাল ফি সাবিলিল্লাহ এর মাধ্যমে “খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওয়্যাহ” কায়েমই ছিল তার স্বপ্ন।
মুফতি জসীমুদ্দীন রাহমানী (আল্লাহ তার মুক্তিকে ত্বরান্বিত করুন) বাংলাদেশের এক বিস্ময় আলিম। তিনি বর্তমান তাগূতের বিরুদ্ধে কোনো নমনীয়তা ছাড়াই তুলে ধরেছিলেন তাদের অত্যাচার আর অনৈসলামিক কাজের নমুনা। নাস্তিকদের বিরুদ্ধে অত্যন্ত দৃঢ়চেতা এই মানুষটি কারো কোন অপপ্রচার, নিন্দাবাদের পরোয়া করতেন না। তিনি অসাধারণ সাহসিকতার সাথে বাংলাদেশে মুসলিম সমাজে প্রচলিত বিদয়াতি আমল-আকিদা, সূফিবাদ ও পীরবাদের ভণ্ডামী, অনৈসলামিক রাজনীতি ও কুফরী গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার বিরোধিতা করতেন।
শাইখের বক্তৃতা এবং তার লেখা মূল্যবান বই বাংলাদেশের তাওহীদবাদী মানুষের মধ্যে এক নীরব বিপ্লবী জোয়ার শুরু করেছে। তিনি মূলত তাওহীদ ও জিহাদের দাওয়াত দিতেন। নিজেকে শুধুমাত্র মুসলিম হিসেবে পরিচয় দিতেন। দাওয়াতের মাধ্যমে গণজাগরণ আর ক্বিতাল ফি সাবিলিল্লাহ এর মাধ্যমে “খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওয়্যাহ” কায়েমই ছিল তার স্বপ্ন।