নতুন সরকার এর প্রতি নসিহা | আবু ত্বহা মুহাম্মাদ আদনান Abu TOha Adnan | Holy Tv
দ মানে আল্লাহ ও তার রাসুল মুহাম্মাদ (স)'র বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধ করা। সুদ মানে নিজের জন্মদাতা মায়ের সাথে "জিনা করা" আই রিপিট! নিজের মাকে বিয়ে করা। এগেইন রিপিট! মায়ের সাথে সেক্স করা!
সুদ মানে পরকালে রক্তের নদীর সাঁতার কাটা। সুদ হল পরকালে সাপ ভর্তি বিশাল পেটের আযাব ।
সুদ মানে মাথা চুর্ণ বিচুর্ণ করার ইলাহি শাস্তি। সুদ মানে পশ্চিমা পুঁজিবাদ। গরিবের রক্ত চুষে চুষে ধনিকশ্রেণীর অট্টালিকা।
সুদ হল এক দিনারে ৩৬ বার জিনার অপরাধ। আর এক জিনা মানে ১০০ বেত্রাঘাত। এক বিবাহিত ব্যক্তির জিনা মানে মাটিতে পুঁতে পাথর নিক্ষেপে রজম!
সুদ মানে মহানবী (স) এর নিজের জবানে দেওয়া লা'নাত! প্রত্যেক সেই ব্যক্তি যে খাবে, যে দিবে, যে লিখবে আর যে স্বাক্ষী থাকবে! এই প্যারার প্রতিটি কথাই প্রতিটি শব্দই পবিত্র কুরআন ও নবী (স) এর হাদিসের মর্মার্থ।
পুরো দুনিয়া ও দুনিয়ার পুজারীদের কাছে এগুলো শুধু "কিছু মৌলবাদী কন্সেপ্ট"! মাত্র। আর বলা বাহুল্য পুরো পশ্চিমা বিশ্বে এগুলো সাম্প্রদায়িক কন্সেপ্ট!
এগুলো হল মাত্র একজন ব্যক্তির সুদের ভয়াবহতা! আর যদি কেউ পুরো একটা জাতীর কোটি কোটি মানুষকে সুদখোর বানানোর কোন মেশিন আবিষ্কার করে? এক একটা মানুষকে? তখন!
হায় আফসোস কি দ্বীনের বুঝ আমাদের!
কি আবেগি অজ্ঞতা! কিসের জন্য সংগ্রাম?
শত শহীদের রক্তে দাঁড়িয়ে কি বিশাল ব্যর্থতা!
বাংলাদেশে গণআন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনার পতনের তিনদিন পর নোবেলজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হয়েছে।
এ তালিকায় যারা রয়েছেন, তাদের মধ্যে আছেন - বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. আসিফ নজরুল, মানবাধিকার কর্মী আদিলুর রহমান খান, সাবেক পররাষ্ট্র সচিব তৌহিদ হোসেন এবং সাবেক নির্বাচন কমিশনার অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম সাখাওয়াত হোসেন।
এ তালিকায় আরও রয়েছেন - বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি বেলার প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফ, উবিনীগের নির্বাহী পরিচালক ফরিদা আখতার এবং ব্রতীর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন মুর্শিদ।
এছাড়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের মধ্যে দুইজন উপদেষ্টাদের তালিকায় ঠাঁই পেয়েছেন - নাহিদ ইসলাম এবং আসিফ মাহমুদ সজীব ভূইয়া।
এর বাইরে, শপথ গ্রহণের জন্য আরও ডাক পেয়েছেন মুক্তিযোদ্ধা ফারুক-ই-আজম, গ্রামীণ ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক নূর জাহান বেগম, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান সুপ্রদীপ চাকমা, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক ডা. বিধান রঞ্জন রায় এবং হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সাবেক নায়েবে আমীর আ ফ ম খালিদ হোসেন