-- দেশে করোনাকালে ৩ কোটি ২৪ লাখ মানুষ নতুন করে দরিদ্র হয়েছে।
-- করোনা–পূর্ব ও করোনাকালের সংঘাতে দেশের ৮০ শতাংশ মানুষই এখন কাজ, আয়, অসুস্থতাসহ নানা সংকটে। এর মধ্যে সব জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে।
-- করোনা সংকট থেকে উদ্ধারের প্রাক্কালেই ডিজেল,এলপিজি, কেরোসিনের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে; যা সরাসরি পণ্য উৎপাদন, পরিবহন,সরবরাহ এবং বণ্টনে সংকট তৈরি করবে।
-- টিসিবির তথ্যমতে, গেল একমাসেই চালের দাম বেড়েছে প্রায় দেড় থেকে তিন শতাংশ।
--- ডিজেলের দাম বেড়েছে ২৩ শতাংশ, ১২ কেজি এলপিজির দাম ১২৫৯ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩১৩ টাকা করা হয়েছে।
--- তারই ফলাফল হিসেবে বাস ভাড়া ২৭ শতাংশ এবং লঞ্চ ভাড়া ৩৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
বাজারে চাল,ডাল, চিনি,পেঁয়াজ,ভোজ্যতেল,গুড়ো দুধ,মৌসুমী সবজি সহ অধিকাংশ দ্রব্যের দাম অস্থিতিশীল।
করাইল বস্তির তারাবানু বিবিসিকে বলেনঃ "আগে দিনে ১০০ টাকা খরচ হলে খাওয়া হতো, এখন ২০০ টাকায়ও কুলায় না।"
--- নিম্নবিত্ত এবং মধ্যবিত্তদের আমিষের প্রধান উৎস ব্রয়লার মুরগি এবং ডিম। কিন্তু চড়া বাজারে এ দুটিও এখন নাগালের বাইরে।
-- ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধি কৃষিতে সরাসরি প্রভাব ফেলবে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মতে, দেশে ১৩ লাখ ৪০ হাজার সেচ পাম্প আছে যা ডিজেল চালিত।
-- অর্থনীতিবিদ আনু মুহাম্মদ বলেনঃ "এসব দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্তে কতিপয় ব্যক্তি ও গোষ্ঠী লাভবান হয় সন্দেহ নেই, কিন্তু জনগণের উপর বহুমাত্রিক বোঝা তৈরি হয়।"
তথ্যসূত্রঃ দৈনিক ইনকিলাব
প্রথম আলো,
বিবিসি বাংলা
বিডিনিউজ২৪