পটুয়াখালী(পৌরসভা)র সর্বস্তরের জনগণের উদ্দেশ্যে ডাঃ মোঃ শফিকুল ইসলাম (বাচ্চু) মৃধার পক্ষে পটুয়াখালী পৌরসভার সন্মানিত ভোটারদের প্রতি -
লেখক - শ্রাবণসাগর কর্তৃক রচিত আকুল নিবেদন -
প্রিয় , অত্র এলাকা তথা বিশেষতঃ পটুয়াখালী জেলা ও উপজেলা (সমূহ )সহ সর্বোপরি পটুয়াখালী পৌরসভার সর্বস্তরের জনগণকে জানাচ্ছি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আগামীর উন্নত বাংলাদেশ গড়তে দৃঢ় প্রত্যয়ী বর্তমান ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের যে গণমানুষের উন্নয়নকল্পে গৃহীত কার্যক্রমে সম্পৃক্ততা , এর মূলে যে সকল সাধারণ মানুষের অন্তর্ভুক্তি এই অঞ্চলের মানুষের দৃষ্টি গোচরীভূত হয়েছে গত প্রায় দুই দশক ধরে , তাদের মধ্যে নিঃসন্দেহে পটুয়াখালীর কীর্তি সন্তান পটুয়াখালী পৌরসভার সাবেক সফল মেয়র ডাঃ মোঃ শফিকুল ইসলাম ( বাচ্চু) মৃধা অন্যতম । যদিও এই নাতিদীর্ঘ রচনায় হয়তো পটুয়াখালীর অত্যন্ত প্রাচীনতর স্হায়ী বংশোদ্ভূত জনগণের প্রতি নিবেদিত প্রাণ মানুষটির সম্পর্কে খুব বেশি কিছু বলা কিংবা লেখা হয়তো সম্ভবপর হবে না , কিন্তু এই কথাও মিথ্যা নয় যে , আসলে উল্লেখিত এই অতি সাধারণ মানুষটির সম্পর্কে এই অঞ্চলের মানুষদেরকে বলা যায় তেমন কোন কথা নতুন করে আর বলবারও প্রয়োজন পড়ে না । কারন সর্বজন বিদিত এই মানুষটির সম্পর্কে এই অঞ্চলের বেশীরভাগ মানুষেরাই কমবেশি অবগত হয়েছেন , তার জনসেবা , অর্থনৈতিক সহায়তা , সামাজিক উন্নয়নকল্পে গৃহীত তার ব্যাক্তিগত কিংবা রাষ্ট্রীয় কোন পদক্ষেপ সমূহ থেকে । যেক্ষেত্রে ডাঃ শফিকুল ইসলাম - এর প্রতিস্ঠিত জনসেবামূলক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান , স্বাস্হ্যসেবা কেন্দ্র কিংবা সাবেক পৌর মেয়র থাকাকালীন সময়ে পটুয়াখালী পৌর এলাকার রাতারাতি উন্নয়ন ও উন্নয়নের জন্য গৃহীত প্রকল্প সমূহ ( পরবর্তী মেয়র কর্তৃক বাস্তবায়নকৃত ) অবশ্যই এই এলাকার জনগণের সামনে দিনের আলোর মত উদ্ভাসিত । একজন অসাধারণ প্রতিভাময় ও মেধাবী বা শিক্ষিত মানুষের মধ্যে যে সকল মানবিক গুণাবলী থাকার কথা , এই মানুষটির মাঝে তার মোটেই ঘাটতি দেখা যায়নি , বেশীরভাগ মানুষের মতামতের প্রেক্ষিতে, যার ফলশ্রুতিতে তিনি কখনো কোন মানুষকে দিয়েছেন শিক্ষা গ্রহণের সহায়তা আবার কোন মানুষকে দিয়েছেন চিকিৎসা সহায়তা কিংবা করেছেন বাসস্থান নির্মানের সহায়তা । করেছেন বিভিন্ন নারী -পুরুষদের কর্মসংস্থান এবং গরীব - অসহায় পরিবারের নারীদের বিবাহের ব্যবস্থাসহ দূঃস্হ মানুষের আর্থ-মানবিক সহায়তা । যার পরিপ্রেক্ষিতে এই মানুষটির চাওয়া - পাওয়ার বলতে গেলে নেই বা ছিল না কোন কিছুই , এর কারণ মূলতঃ একটাই যে , তার চেনা -জানা কিংবা অচেনা মানুষটি যেন অন্তত: এই জীবনের দুর্বিসহ অনিশ্চিতয়তার মধ্যে কালতিপাত করেও দুই - এক দন্ডের জন্য হলেও মানসিক শান্তি লাভ করতে পারে । অবশ্য একজন সুশিক্ষিত বা উচ্চশিক্ষিত মানুষের নিকট থেকে একটি দেশ তথা সমাজ এই এতটুকু প্রত্যাশা করতেই পারে , যা অত্যন্ত স্বাভাবিক , কিন্তু প্রশ্নটি এখানেই যে - এই অঞ্চলে তো ডাঃ শফিকুল ইসলাম মৃধা ছাড়াও তো আরও অনেক - অনেক উচ্চশিক্ষিত এবং ধনাঢ্য ব্যক্তি বর্গেরা বসবাস করছেন , তো তাদের মধ্যে সবাই না হোক দুই-চারজন মানুষেরও তো অন্তত: এই একই রকম করে নিঃস্বার্থ ভাবে জন মানুষের জন্য নিবেদিত প্রাণ হওয়ার কথা ছিল , কিন্তু কোথায়?অদ্যাবধি তো সেই রকম কোন মানুষকে খুঁজে পাওয়া যায়নি , বরং কিছু কিছু অর্থলোভী , দুঃস্চরিত্রের অধিকারী ব্যাক্তিরা জনসেবার নামে সরকারি অর্থ লোপাট কিংবা অসহায় মানুষকে অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে স্বার্থসিদ্ধির যে ঘৃন্য ও জঘন্য প্রয়াস ইত্যাদি এই অঞ্চলের মানুষের কাছে এখন পরিস্কার ।
এখন সময় এসেছে এই সকল মানুষদের মুখোশ উন্মোচনের এবং সাধারণ মানুষের মুক্তির অপেক্ষা হতে মুক্ত হওয়ার ও কালো অধ্যায় অবসানের অন্তত: পটুয়াখালী পৌরসভাধীন এলাকায় বসবাসরত নাগরিকদের ।
। চলবে ।