0240

Опубликовано: 26 Июль 2026
на канале: Real TV watch
35
0

ভালোবাসার সাত রং
লেখক.শ্রাবণসাগর
রংধনুর সাত রং,যেমন -বেগুনি,নীল,আসমানী---লাল,ঠিক তেমনি ভালোবাসার ক্ষেত্রেও বিবেচনা করলে মানুষের মাঝে মোটামুটি সাতটি উপাংশ সনাক্তকরণ করা যায়,যেখানে ভালোবাসা নামক অদৃশ্যৃমান আকর্ষণীয় মৌলিক বিষয়টি পরিলক্ষিত হয়,যেমন -১.নিজ জীবন ও ধর্মের ক্ষেত্রে ২.নিজের পরিবারের জন্য ৩.বাবা-মা,ভাই -বোন ও আত্মীয় স্বজন বা বন্ধু-বান্ধব ও প্রতিবেশীদের প্রতি ৪.শিক্ষা ও কর্ম,আদর্শ বা নীতির প্রতি ৫.চাওয়া ও পাওয়ার জন্য ৬.ধন,সম্পদ বা অ্রর্থের প্রতি ও ৭.কামনা,বাসনা বা আকাংখা ও ভালোলাগার ক্ষেত্রে।
উপরোক্ত সবকটি বিষয়েই মানুষের কম-বেশি ভালোবাসা পরিলক্ষিত হয়,যার একটিকেও কোন মানুষ মনে হয় না যে উপেক্ষা করতে পারে,তার বা তাদের যে কারো জীবদ্দশায় সত্যিকার ভাবে। এখানে যদিও এসবক্ষেত্রের সবকিছুই প্রত্যেক মানুষেমানুষেরই কম-বেশি জানা,তাই মনে হয় না যে এসব নিয়ে আরও গভীরের কোন আলোচনা করা যায় বা তার কোন দরকার আছে। তাছাড়া পৃথিবীর প্রতিটি মানুষেরই একটি নিজস্ব স্বকীয়তা রয়েছে অন্ততঃ ভালোবাসার ক্ষেত্রে,যেখানে তারা কখন,কিভাবে,কেন যে কাকে ভালোবাসে না বাসবে,সে কথা মনে হয় নিশ্চিত করে বলা যায় না,কারন এই যে,জগতের সকল মানুষের ভালোবাসার বিষয়টি বা কারন একই রকমের কখনওই হয় না বা একমুখী হতে পারে না।এক এক জন এক একটি কারনে এক এককনকে ভালোবাসে,কেবলমাত্র শিশুদের ভালোবাসার কথা বাদে।তবে উপরেল্লিখিত যে সাতটি প্রেক্ষাপটের কথা বলা হলো,সেই দিকগুলোর বিবেচনায় কিন্তু ভালোবাসার বিষয়ে সকল মানুষেরই একটি গড় মিল খুঁজে পাওয়া যায়,যেখানে সবাইই এই সকল দিকগুলোতে ভালোবাসার নীল আকাশের সন্ধান পায় বা পেতে পারে,যদিও এইসব ভালোবাসাবাসির স্থায়িত্ব কতটুকু বা কত সময়ব্যাপী বিদ্যমান থাকবে বা থাকতে পারে,তা কিন্তু আবার কারোরই পক্ষে অনুমান করা সম্ভব নয়। যেমন শিক্ষা বা অর্থের বিষয়টিকেই যদি কল্পনা করা হয়,তাহলে দেখতে পাবো আসলে এ দুটির ক্ষেত্রেই কোন সীমাবদ্ধডা নেই অন্ততঃ অর্জনের ক্ষেত্রে,সেই রকমই কামনা,বাসনা ইত্যাদির জন্যও মানুষের ভালোবাসার সীমা অপরিসীম। যদি যে কারো নিজের কথা বলা হয়,তাহলে হয়তো নয় মনে হবে বা হয় যে,এর চেয়ে সত্যিকারঅর্থে আর কোন মূল্যবান জিনিসই নেই পৃথিবীতে,যে কারো জন্য যে কোন সময় এবং এই কারনেই আমরা প্রত্যেকে নিজেদের জীবনকে এত বেশি ভালো
বাসি,যার প্রকৃষ্ট উদাহরণ হতে পারে যে,মৃত্যুর আগের আমাদের যে আকূতি বা প্রকৃতি শুধুমাত্র কয়েকটি দিন মাত্র বেঁচে থাকবার জন্য। যার যতটুকু সাধ্য সেই অনুযায়ী সকল অর্জিত সম্পদের বিনিময়ে হলেও বাঁচবার চেষ্টা করেও একসময় মৃত্যুর কাছে হার মানতে হয় সবাইকে,পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি ভালোবাসার জীবনকে বিসর্জন দিয়ে, আর অন্যান্য সকল বিষয়গুলোই যেখানে ম্লান এবং সবারই জানা এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অতি সাধারণ ব্যাপারটির মতো করে,যে সবগুলোর আলোচনাই করা এখন নিরর্থক বলে মনে হয়।