ছোট প্রবন্ধ -
এ কেমন প্রবৃত্তি!!
লেখক-শ্রাবণসাগর
প্রাচীন পৃথিবীর মানুষের জীবন যাপনের সঙ্গে বর্তমান সময়কার মানুষের অনেক তফাত,বিশেষত: আচার - আচরণ ও চিন্তা - ভাবনার দিক থেকে । কেননা উন্নত শিক্ষা ব্যবস্থা ও উন্নয়নের শীর্ষে অবস্থানরত বর্তমান সময়কার মানুষেরা পৃথিবীকে এখন হাতের মুঠোয় নিয়ে এসেছে । তাই সম্ভবতঃ এখন আর এইসব তুলনা করা সমীচীন নয়, কিন্তু বিষয়টি যেহেতু মানুষের ক্ষেত্রে আলোচ্য তাই পৃথিবীতে এযাবত কালে বসবাসকারী সকল মানুষের কথাই বিবেচ্য । ২০০ বা ৫০০ বছর কিংবা ২/১ হাজার বছরের পুরনো মানুষের কথা না হয় বাদই দেই কিন্তু ৫০/১০০ বছর আগেকার মানুষের জীবন যাপনের সম্পর্কে তো বোধকরি সবারই জানা । পার্থক্য বলতে সেই সময়কার মানুষেরা এতসব উন্নত সুযোগ - সুবিধা বঞ্চিত ছিল,যেমন-আকাশ পথ কিংবা রেল পথের বর্তমান ও পূর্বেকার অবস্থা অথবা নৌ পথের বর্তমান সার্বিক অবস্থা ইত্যাদি সবকিছু ছাপিয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মাধ্যমে বিশেষতঃ এর আদান-প্রদান ক্ষেত্রে মানুষ এখন উন্নয়নের শীর্ষে অবস্থানরত সময় অতিক্রম করছে । মাত্র ২০/৩০ বছর আগেকার সময়ের টেলিফোন বা ডাক পিয়নের হাঁক - ডাক,সিনেমা,টিভি,ভিসিআর-ভিসিপি,ক্যাসেট প্লেয়ার,পত্র-পত্রিকা ও উপন্যাসের বই ইত্যাদির দৌরাত্ম এখন আর নেই,এইসব সকল পাবলিক মিডিয়া এখন বলা যায় একত্রিত হয়ে দিনকে দিন অত্যন্ত সহজলভ্য হয়ে মানুষের জীবনের সঙ্গে ওতেপ্রাত ভাবে মিশে গেছে হালের অনলাইন বা ইন্টারনেটের বদৌলতে । স্বীকার করতে বাধা নেই যে,এটি এযাবত কালের অতিক্রান্ত বিশ্ববাসির তথা মানব সভ্যতার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় একটি পাওয়া, কিন্তু প্রশ্নটি কিন্তু এখানেই যে,এই ব্যবস্থাটির ব্যবহার মানুষ কিভাবে করছে ? আশা করি প্রশ্নটির উত্তর প্রত্যেক অনলাইন বা ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরই জানা অন্ততঃ নিজস্বভাবে তার ও তাদের নিজের কাছে,তাই এসব ব্যক্তিগত ব্যাপারে এখানে কথা বলবার কিছুই নেই । তবে যে কথা না বললেই বা না লিখলেও নয়,সেটি হলো এখানকার অপব্যবহার সম্পর্কে - বিশেষতঃ ইনস্টিগ্রাম,টেলিগ্রাম,
ইউটিউব, ফেইসবূক,টুইটার,ইমো,
হোয়াটসআপ,মেসেন্জার বা নির্দিষ্ট কিছু গুগল ওয়েব সাইটে অগনিত শিক্ষিত ও অশিক্ষিত মানুষেরা বিভিন্ন অনৈতিক ও অসামাজিক কার্যকলাপসহ বিভিন্ন উস্কানিমূলক অপপ্রচার ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির কথা বলে মানুষকে হয়রানি করাসহ ব্যক্তিগত ও সামাজিক বিভিন্ন ধরনের অহেতুক ও অপ্রয়োজনীয় ছবি বা ভিডিও ইত্যাদি দেখছে কিংবা দেখাচ্ছে অকারণে ও অপ্রয়োজনে ,যে ব্যাপারে সকল কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি করছি যাতে ঐসকল অসামাজিক কর্মকাণ্ড বা প্রবৃত্তিকে প্রতিহত করা হয় এবং শিক্ষামুখি ও ব্যবসায় ভিত্তিক কার্যক্রম সমূহে উত্সাহ প্রদান করে অনলাইনের প্রধান লক্ষ্য অর্জনে মানুষকে সহায়তা প্রদান করেন।